চৌগাছা-ঝিকরগাছার উন্নয়ন করতে চাই উন্নত বিশ্বের আদলে

একান্ত সাক্ষাৎকারে মে.জে. (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন

২৮২

আজিজুর রহমান, চৌগাছা
যশোর-২ চৌগাছা-ঝিকরগাছা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন দৈনিক প্রতিদিনের কথার সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত এবং উন্নত বিশ্বের আদলে চৌগাছা-ঝিকরগাছার উন্নয়ন করতে চাই।
তিনি বলেন, আশা করছি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাব এবং নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করে চৌগাছা-ঝিকরগাছাকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সংসদীয় আসন হিসেবে উপহার দিতে পারব।
মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিনের জন্ম ১৯৫৫ সালে ১ জানুয়ারি যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ডহর মাগুরা গ্রামে। তার পিতা সৈয়দ আলী বিশ্বাস মাগুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তার মাতা খাইরুন নেছা ছিলেন গৃহিনী। তিনি ১৯৬৯ সালে যশোর মুসলিম একাডেমী থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি, ১৯৭১ সালে যশোর সরকারি এমএম কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি, ১৯৮০ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ১৯৯৬ সালে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভিনটিভ ও সোস্যাল মেডিসিন মহাখালি, ঢাকা থেকে মাস্টার্স ইন পাবলিক হেলথ এবং একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৫ সালে এমফিল করেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এই চিকিৎসক সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোট, বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের (আসাফো) উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতা সৈয়দ আলী বিশ্বাস মাগুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। মেঝভাই শাহাবুদ্দিন স্বাধীনতা পরবর্তী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দি¦তা করেন। সেঝ ভাই মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন মুজিব বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি মাগুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। ছোট ভাই গিয়াস উদ্দিন একই ইউনিয়ন থেকে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পরিবার মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী পরিবার।
তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে যশোর সরকারি এমএম কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচিত সদস্য ছিলাম। ১৯৭৪ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।
তিনি বলেন, আমি যশোর সরকারি এমএম কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজে অংশ গ্রহণ করি এবং অন্যান্য বন্ধুদেরও অংশ গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করি। আমি রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা। আমি ৮নং সেক্টরের অধীনে চৌগাছা যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছি। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সাথে একই এলাকায় আমি যুদ্ধ করি। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব ও সাহসিকতার জন্য সমর পদক, জয় পদক, রণতারকা পদক পেয়েছি। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় ইউএন পিস মেডেল সুদান ও ইউএন পিস মেডেল মোজাম্বিক পেয়েছি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে কর্মরত থাকাকালীন সাহসিকতা ও কৃতৃত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বর্ডার গার্ড পদক লাভ করি।
বর্তমানে ঢাকার মার্কস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৮ জুন আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করি। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলাম। ১৯৮২ সালের ১৬ জুন থেকে ৯৪ সালের ১১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীরে বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করি। এসময় মেডিকেল উপদেষ্টা ও প্রশাসক হিসেবে বিভিন্ন চিকিৎসা ইউনিট প্রতিষ্ঠায় আমাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। ১৯৯৪ সালের ১২ মে থেকে ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত লজিস্টিক অফিসার লেভেল-২ হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে মোজাম্বিকে দায়িত্ব পালন করি। এসময় আমাকে জাতিসংঘের লেভেল-২ হাসপাতাল এবং মোজাম্বিকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী ও স্থানীয় জনসাধারণের চিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ করতে হয়। ১৯৯৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যশোর সেনানীবাসে অবস্থিত সিএমএইচ যশোরের সহকারী অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ১৯৯৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ডিভিশনের (মেডিকেল সার্ভিস) উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। এসময় সদর আর্মি সদর দপ্তর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ চিকিৎসা সেবা ও হাসপাতাল সরঞ্জামাদির সার্ভিস তদারকির দায়িত্ব পালন করি।
বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের মেডিকেল সার্ভিসের সাবেক এই পরিচালক বলেন, ১৯৯৭ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ২০০০ সালের ২৭ মে পর্যন্ত আমি ৪১ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং হাসপাতালে গুরুতর রোগিদের যথাযথ চিকিৎসার দায়িত্ব পালন করি। ২০০০ সালের ২৮ মে থেকে ২০০১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিএমএইচ, ঢাকার মেডিকেল ইউংয়ের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর এবং কমান্ডিং অফিসার হিসেবে সার্বিক দায়িত্বসহ সিএমএইচএর সকল চিকিৎসা বিভাগের তদারকির দায়িত্ব পালন করি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৩ সালের ৩০ জুলাই পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল স্টোরস ডিপোর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। এসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীতে ওষুধ ও সরঞ্জামাদি সরবরাহ নিশ্চিত করি। ২০০৩ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০০৫ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে এমফিল প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং প্রতিষেধক ও মেডিসিনের উপর এমফিল করি। ২০০৫ সালের ৫ অক্টোবর থেকে ২০০৭ সালের ১৮ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল-১ (ব্যানমেড-১) আনসিম, সুদানের সহকারী সেনা অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাতিসংঘের পক্ষে সুদানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করি। এসময় যুদ্ধ বিধ্বস্ত জনসাধারণের মাধ্যে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করি। ২০০৭ সালের ১৯ মার্চ থেকে ২০০৮ সালের ২৪ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল-১ (ব্যানমেড-১) আনসিম, সুদানের সহকারী সেনা অধিনায়ক হিসেবে হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ২০০৮ সালের ২৫ মে থেকে ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সিএমএইচ ঢাকার ডেপুটি সেনানায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মেডিকেল ডিরেক্টর হিসেবে মিলিটারী হাসপাতালে দায়িত্বপালনসহ ক্লিনিক্যালি কার্যক্রম কার্যকরের জন্য সকল বিভাগের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করি। ২০০৯ সালের ১১ আগস্ট থেকে ২০১০ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত মেডিকেল সার্ভিস বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে প্লানিং, ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং মেডিকেল স্টোর ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি এবং পরিচ্ছন্ন ট্রেনিং নিশ্চিত করতে বিশেষ অবদান রাখি। ২০১০ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০১২ সালের ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের চীফ হেলথ অফিসার হিসেবে প্রগ্রাম ম্যানেজার পদে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রজেক্ট-২ (ইউপিএইচসিএসডি-২) এবং আরবান প্রাইমারি হেলথ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (ইউপিইএইচএসডি) দায়িত্ব পালন করি।
এসময় তিনি চাইল্ড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিষদে এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের জেনারেল হাসপাতাল ও মেটারনিটি হাসপাতালে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত আর্মি হেড কোয়ার্টার্স, ঢাকার পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) হিসেবে সিএমএইচসহ বাংলাদেশ আর্মি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সকল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণ, প্লানিং, ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ২০১২ সালের ৮ অগস্ট থেকে ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজে অধ্যক্ষ ও কমান্ড্যান্ট হিসেবে প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করেন। এসময় প্লানিং অব প্রফেশনাল ট্রেনিং অ্যাকটিভিটিস, ইনডোর আউটডোর স্পোর্টস, এক্সারসাইজ, স্ট্যাডি টুর, টিসিং এলিমেন্টস, রিসার্স অ্যান্ড পাবলিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে দায়িত্ব পালনসহ দেশের ৫টি আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখেন। ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর হতে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ল্যাব এইড গ্রুপের ল্যাব এইড হাসপাতালের ডায়গনস্টিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে অদ্যাবধি তিনি ঢাকার মার্কস মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি আর্মি মেডিকেল কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল, রাজশাহী সেনানিবাস থেকে অফিসার বেসিক কোর্স-পার্ট-১ আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট থেকে অফিসার্স বেসিক কোর্স পার্ট-২, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট থেকে হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোর্স, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট থেকে আর্মি অফিসার্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোর্স-৫ এবং নেভাল ড্রাইভিং অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার পানামা সিটি, ফ্লোরিডা, ইউএসএ অ্যান্ড নেভাল আন্ডার সি মেডিকেল ইন্সটিটিউট ইউএসএ থেকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট ডাইভিং অফিসার অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল আন্ডার সি মেডিকেল অফিসার্স কোর্স সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষা ও গবেষণার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে জানান।
তিনি বলেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউটে অতিথি বক্তা হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশ গ্রহণ করেছি। বিএন ঈসা খান, চট্রগ্রাম ড্রাইভিং স্কুল এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষক/উপাধ্যক্ষ হিসেবে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা বিধি ও আদেশ তৈরিতে অবদান রেখেছি এবং শহুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা শহুরে স্বাস্থ্য প্রকল্প উন্নয়নে ভূমিকা রাখি।
তিনি বলেন আমার স্ত্রী ড. রওশনারা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ মেডিসিন, ঢাকার সহযোগী অধ্যাপক। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সক্রিয় সদস্য। বড় ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা এবং ছোট ছেলে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।
তিনি বলেন, আমি চাকরি জীবনে বিশ্বের বহু দেশ ভ্রমণ করেছি। প্রত্যক্ষ করেছি উন্নত বিশ্বের সভ্যতা ও সংস্কৃতি।
তিনি বলেন, আমি সেনাবাহিনীতে চাকরিকালে আওয়ামী লীগ ও সমমনা সেনা অফিসারদের ট্রেনিং পোস্টিং এবং প্রোমশোন বিষয়ে অন্যতম ভূমিকা পালন এবং সংঘবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করেছি। চৌগাছা-ঝিকরগাছা এলাকার কয়েক হাজার ব্যক্তিকে চাকরি দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। বিভিন্ন সময়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে এলাকার জনসাধারণের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, আশা করছি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাব। জননেত্রী মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে যশোর-২ আসনে মনোনয়ন দেন তাহলে সবাইকে নিয়ে আসনটি মাননীয় নেত্রীকে উপহার দেব। সেই সাথে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে চৌগাছা ও ঝিকরগাছাকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সংসদীয় আসন হিসেবে গড়তে চাই। আমি চৌগাছা ঝিকরগাছাকে উন্নত বিশ্বের আদলে গড়তে চাই।

মন্তব্য
Loading...