কেশবপুরে ঘেরের উঁচু মাটিতে রাস্তা এখন খাল!

0 ২৪০

উৎপল দে, কেশবপুর

মৎস্য ঘেরের দুপাশে উঁচু মাটিতে যশোরের কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা-বাটবিলা রাস্তা খালে পরিণত হয়েছে। ফলে এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল দূরে থাক মানুষ পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে পারে না। রাস্তার দু পাশে মৎস্য ঘের মালিক রাস্তার দু’পাশ দিয়ে ৬/৭ ফুট উচু করে বেড়ি তৈরি করে মাছ চাষ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তিভোগীদের।

সরেজমিনে জানা গেছে, প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের জন্য প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে ২০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে কেশবপুর হয়ে সাতক্ষীরা-যশোর ও ঢাকায় যেতে হয়। গড়ভাঙ্গা বাজার হয়ে বাটবিলা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি দরুত পাকাকরণ করা হলে প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে। রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী গ্রামগুলো হলো গড়ভাঙ্গা, বেলকাটি, মাদারডাঙ্গা, সাগরদত্তকাটি, বাকাবর্শী, ইমাননগনর, ব্যাসডাঙ্গা, মনিরামপুর উপজেলার বাটবিলা, আসাননগর, কুশখালি, ঝিরেডাঙ্গা, হরিনা, কোনাখোলা, দূর্বাডাঙ্গা ও নেহালপুর এলাকার মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। বর্ষা মৌসুমে রাস্তার উপর ৬/৭ ফুট পানি জমে থাকে। নৌকায় করে মানুষ, গরু-ছাগল পারাপার হয়ে থাকে।

গড়ভাঙ্গা গ্রামের সাইফুর রহমান সানা বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তার দু’পাশে দুইটি মৎস্য ঘের করায় ঘেরের কবলে পড়ে উভয় অঞ্জলের মানুয় চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

বাটবিলা গ্রামের অলোক মন্ডল বলেন, আমি পত্রিকা পরিবেশক। প্রতিদিন আমাকে অতিরিক্ত ৭/৮ কিলোমিটার পথ ঘুরে চিনাটোলা বাজার হয়ে কেশবপুরে আসা-যাওয়া করতে হয়। ইটের সোলিং দেওয়া রাস্তাটি শুধুমাত্র মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধের কারণে চলাচল করা একবারে বন্ধ হয়ে গেছে।

পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, রাস্তার দুই পাশে বেড়ি তৈরি করে মাছ চাষ করছে আর রাস্তা দিয়ে নৌকা চলাচল করছে। বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে সরেজমিনে এসে দেখার জন্য অনুরোধ করেছি।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেন বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দুই ঘের মালিককে নোটিশ করা হয়েছে। ঘেরের বেড়িবাঁধের কারণে রাস্তাটি নিচু হয়ে যাওয়ায় উঁচু করে রাস্তাটি করতে হবে। রাস্তাটি যাতে তাড়াতাড়ি হয় তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য
Loading...