ডিপিএলে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে জিতিয়ে ম্যাচ সেরা যশোরের ইমারানুজ্জান

0 ৯২

ক্রীড়া প্রতিবেদক

যশোর জেলা দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ইমারানুজ্জামান। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জৌলুস ও মর্যাদাপূর্ণ আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) খেলছেন প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। সোমবার লিগের প্রথম ম্যাচে ছিলেন একাদশে। তবে বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় টোয়েন্টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের অভিষেকে ব্যাট হাতে নামার সুযোগ পাননি খুলনা বিভাগীয় দলের ওপেনার। দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়েই সেই ইমরানুজ্জামান চিনিয়েছেন নিজেকে। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে জিতিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন যশোরের ধর্মতলা এলাকার এই ক্রিকেটার।

ইমরানুজ্জামানের ঝড়ে উড়ন্ত শুরু পাওয়া প্রাইম দোলেশ্বর পেল চ্যালেঞ্জিং পুঁঁজি। রান তাড়ায় নেমে মেহেদী হাসান মিরাজদের খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি লড়াই করতে পারল না।

বুধবার সকালের ম্যাচে ১৯ রানের ব্যবধানে খেলাঘরকে হারিয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দোলেশ্বরের করা ১৪৯ রানের জবাবে ১৩০ রান করতে পেরেছে খেলাঘর।

ওপেনিংয়ে নেমে ১৭ বলে ৩ চার, ৪ ছক্কায় ২৩৫.২৯ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৪০ রান। ইনিংসের প্রথম বলেই জাতীয় দলের পেসার খালেদ আহমেদ ছক্কা মেরে শুরু করেছিলেন। ওই ওভারের তৃতীয় বল মারেন প্রথম বাউন্ডারি। ইনিংসের শেষ বলে একরান নিয়ে ধরে রাখেন স্ট্রাইক। ছক্কা চারটির ২টি মেরেছেন ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে যশোরের বাঁহাতি স্পিনার টিপু সুলতানকে। ৩য় ওভারে ছক্কা মেরেছেন তিনি ইরফানকে। ৪.৫ ওভারে তিনি যখন আউট হন, দলের রান ৪৫। যার ৪০ রানই আসে তার ব্যাটে। তার সঙ্গে নামা আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদ রাব্বি ছিলেন ধীরগতির। ২২ বল খুইয়ে তিনিই ফেরেন ১৪ রান করে।

তাকে আউট করে ম্যাচে একমাত্র উইকেট নেন মিরাজ। ৩ ওভার বল করে জাতীয় দলের স্পিনার দেন ৯ রান। এক পর্যায়ে দুশোর আভাস দেওয়া দোলেশ্বরের ইনিংসের গতি পরে হয়ে যায় শ্লথ। সাইফ হাসান করেন ৩৩ বলে ২৮, মার্শাল আইয়ুব ২০ বলে ২১। ১২ বলে ১৬ রান করেন শামীম পাটোয়ারি। শেষ দিকে নেমে শরিফুল্লাহ ৯ বলে ১৫ রান করলে দেড়শোর কিনারে যেতে পারে তারা। দেড়শো রানের লক্ষ্য নেমে কখনই ম্যাচে থাকতে পারেনি খেলাঘর। প্রথম ওভারেই ওপেনার সাদিকুর রহমানকে হারায় তারা। ইমতিয়াজ হোসেন তান্না ফেরেন দ্বিতীয় ওভারে।

ফরহাদ হোসেন তিনে নেমে রান পেলেও তা ছিল ধীর গতির। তার ৩৫ বলে ৩৩ রানের ইনিংস চাহিদা মেটানোর মতো ছিল না। ওপেনিং থেকে চারে নেমে সালমান হোসেন ২৭ বলে করেন ১৪ রান। পাঁচে নেমে মিরাজ টিকেছেন ১০ বল। ১ ছক্কায় করেন কেবল ১২ রান।

এক পর্যায়ে ৭৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে তিন অঙ্কের আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল তারা। নয় নম্বরে নেমে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ২ চার, ৩ ছক্কায় ১৯ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে দল পার হয় একশো। শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে তারা করতে পারে ১৩০ রান।

মন্তব্য
Loading...