এখন কেউ শোনে না কপোতাক্ষ নদের কান্না

0 ৬৭

চৌগাছা প্রতিনিধি

‘সতত হে নদ-তুমি পড় মোর মনে/ সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে’। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কবিতা সাহিত্য কিংবা ইতিহাসের পাতায় অমরত্ব লাভ করলেও মানচিত্রে কপোতাক্ষের মরণ দশা চলছে। স্নেহের তৃষ্ণা মিটানো দুগ্ধ¯্রােতরূপি সেই নদ এখন ‘সারাদিন এলোচুলে পা ছড়িয়ে বসে মৃত্যুর করুণ গান’ গাইছে। কখন জানি নিঃশেষ হয়ে যায় তার প্রাণ।

মাইকেলের জীবন-তুলিতে আঁকা সেই কপোতক্ষ এখন আর নেই। এখন দৃশ্যপট তার যে, সতত যেমতি লোক নিশার স্বপনে/শোনে মায়াযন্ত্র ধ্বনি, তব কলকলে /জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে’র মতো। বদলেছে তার চেহারা। কখনো হয়ে চলেছে পানি শুকিয়ে মাঠ। কখনওবা বর্ষা মৌসুমে পানি উপচে দুই তীর প্লাবিত করে গ্রাম। পরিণতি শুধু করুণ, আর করুণ। কালজয়ী সেই কবিতা পড়ে যদি কেউ এখন কপোতাক্ষ নদ দেখতে যায়, তাহলে তাকে হতাশ হয়েই ফিরতে হবে। কপোতাক্ষের বুকে কোথায় কোথাও শুকনো খটখটে গরু-ছাগল চরছে, আবার কোথাও সরু খালে পরিণত হয়েছে। মানুষ পায়ে হেঁটে এপার ওপার যাতায়াত করেছে। এভাবে চললে আগামী প্রজন্মের কাছে আরব্য রজনীর গল্পের মতোই মনে হবে- ‘এইখানে এক নদী ছিল, জানলো না তো কেউ/ নদীর জল ছিল কূল ছিল, ছিল নদীর ঢেউ….। এক হতভাগা নদের নাম কপোতাক্ষ। আশির দশকেও এই নদ দিয়ে লঞ্চ, কার্গো বার্জ ও সারি সারি পাল তোলা নৌকা চলাচল করত। ২০০১ সালের পর ধীরে ধীরে পলি জমে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। নদীর বুকে এখন লঞ্চ স্টিমার তো দূরের কথা, বর্ষা মৌসুমের পর তাল গাছের ডোঙাও চলে না।

কপোতাক্ষ নদের পানি একসময় কপোতের অক্ষি বা কবুতরের চোখের মতো ছিল স্বচ্ছ। তাই আদুরে নাম কপোতাক্ষ। পানি উন্নয়ন বোর্র্ডের তথ্যমতে ১৮০ কি.মি. দৈর্ঘ্য এ নদ চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের তাহেরপুর বুড়ি ভৈরব থেকে উৎপত্তি হয়ে ঝিকরগাছা, মনিরামপুর, কেশবপুর, সাগরদাঁড়ি, পাটকেলঘাটা,তালা, কপিলমুনি হয়ে খোলপেটুয়ায় পড়েছে। এ নদের অববাহিকায় একদিন গড়ে উঠেছিল একটি সভ্য জনপদ। কপোতাক্ষের তীরে বহু মনীষীর জন্ম ও আস্তানার নিদর্শন পাওয়া গেছে।

তাদের মধ্যে হযরত খাজা খানজাহান আলী (রহ) নিয়ে দেশে সর্বপ্রথম এসেছিলেন আশাশুনি পাইকগাছা-কয়রার ত্রিকোন মিলনস্থান আমাদীর মসজিদকুডা নামে কপোতাক্ষ নদীর মোহনায়। একইভাবে বড়ো পীর হযরত বোরহান উদ্দিন, মঈন উদ্দিন আউলিয়া (রহ), পীর শেখ ময়নুদ্দিন, পীর শাহ জাফর আউলিয়া (রহ), হাজী মেহের উদ্দিন, জিন্দাপীর ধরাম চাঁদ, সুন্নি সাধক আলম শাহ ফকির, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (পি সি রায়) কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কাজী ইমদাদুল হক, কবি সিকান্দার আবু জাফর এর নাম উল্লেখযোগ্য।

এ নদের কান্না এখন কেঊ শোনে না। একসময় কপোতাক্ষ ছিল খুবই খরস্রোতা। জোয়ার ভাটায় এক প্রমত্ত সুন্দরী। স্থানভেদে ৩০০ থেকে ১০০০ মিটার পর্যন্ত প্রশস্ত ছিল। কপোতাক্ষ দিয়ে একসময় লঞ্চ, স্টিমার চলাচল করতো। ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল সরাসরি কলকাতার সঙ্গে। ইউরোপীয় বণিকরাও আসত ব্যবসা করতে। কপোতাক্ষ নদ ছিল মৎস্য সম্পদে পরিপূর্ণ। একসময় এর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল প্রসিদ্ধ জনপদ ।

কিন্তু নদ ভরাট হয়ে পড়ার কারণে মৎস্যজীবীসহ নদীর উপর নির্ভরশীল অন্যান্য মানুষের পরিবর্তন করতে হয়েছে তাদের পেশা। একসময় যে জেলে এ নদীর বুকে নৌকা চালিয়ে মাছ শিকার করতেন, তাকেই আজ তীরে বসে শুকিয়ে যাওয়া নদের দিকে তাকিয়ে হতাশায় মৃত্যুর প্রহর গুনতে হচ্ছে। কপোতাক্ষ বাঁচাতে আন্দোলন চলছে বহুদিন থেকে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা নেই।

বর্তমান সরকার নদিটি খননের জন্য বিগত শাসনামলে ২৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। কিন্তু দৃশ্যমান হয়নি। ঐ সময় খনন কাজ বাস্তবায়নে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

গত দেড় যুগ ধরে কপোতাক্ষ পাড়ের ২০ লক্ষ মানুষ প্রতি বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই প্রায় ৮ মাস পানি বন্দি হয়ে দিনাতিপাত করে আসছে। বর্ষায় কপোতাক্ষ খনন না করায় বারবার রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও কৃষিজমিতে বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। কপোতাক্ষ মরে যাওয়ার ফলে এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, পরিবেশ-প্রতিবেশ সম্পূর্ণ বদলে যেতে শুরু করেছে। নদীর উপর নির্ভরতা কমার ফলে ফসলি জমির ওপর চাপ বাড়ছে। ফলে এ অঞ্চলের প্রধান প্রাণশক্তি কৃষি চরম বিপর্যয়ে পড়েছে। মরুময়তা চলছে নীরবে। বদলে যাওয়া প্রকৃতি হয়তো মানুষের প্রতি চরম বৈরী আচরণ শুরু করেছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ।

কপোতাক্ষ নদের কেন এই মরণ দশা? তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শিতা ও নদীপ্রবাহ সম্পর্কে সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে নদীর অবাধ প্রবাহে বিঘœ সৃষ্টির মাধ্যমে ভরাট হতে শুরু করে কপোতাক্ষ নদ। কপোতাক্ষ ভরাটের পিছনে বিভিন্ন জন বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করেছেন। গবেষক এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, কপোতাক্ষ ভরাট ও জলাবদ্ধতার পিছনে প্রধান কারণ হলো মানব সৃষ্ট নদী বা পানি ব্যবস্থাপনা। ১৭৯৪ সালে তাহেরপুরে ভৈরব থেকে বিচ্ছিন্ন করে বাধ দেওয়া হয়। এরপর অপরিকল্পিত বাঁধ, সেতু ও রেললাইন বসিয়ে কপোতাক্ষকে সংকীর্ণকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৮৬১ সালে কলকাতা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেললাইন বসানোর সময় ভৈরব নদের মুখে দর্শনায় সংকীর্ণ রেল ব্রিজ নির্মাণ করে কুমার, নবগঙ্গা ও চিত্রা নদীর মুখে বাধঁ দেওয়া হয়। ১৮৮৩ সালে কলকাতা-খুলনা রেললাইন বসাতে গিয়ে ইছামতি, বেত্রাবতী, কপোতাক্ষ, হরিহর নদ ও নদীতে ছোট ছোট ব্রিজ নির্মাণ করে নদীগুলোর গলা টিপে ধরা হয়।

১৯৩৮ সালে দর্শনায় ভৈরব নদের একটি বাঁক ভরাট করে নির্মাণ করা হয় কেরু এন্ড কোং চিনিকল। এ সময় ভৈরবের অংশবিশেষ ভরাট হওয়ায় মাথাভাঙ্গা থেকে ভৈরব বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ১৯৫৩ সালে যশোরে ক্যান্টনমেন্ট প্রতিষ্ঠার সময় মুক্তেশ্বরী নদীতে গেট দিয়ে কপোতাক্ষ নদের পানি প্রত্যাহার করার ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬০ সালে ক্রগ মিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ওয়াব্দা গঠন, নদী শাসন পোল্ডার, ভেড়ি বাঁধ, উপকূলীয় বাঁধ ও স্লুইসগেট নির্মাণ করে প্লাবণ ভূমি থেকে নদীকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। আর কপোতাক্ষ যখন মুমূর্ষু তখন এক শ্রেণির মানুষ মরিয়া হয়ে তার জায়গা দখল করতে শুরু করে। এরই মধ্যে ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ ও ভারত-বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ৫৪ টি অভিন্ন নদীতে ভারত কর্তৃক বাঁধ নির্মাণ এবং পদ্মা নদীর পানি প্রবাহ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সব নদী বঞ্চিত বা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এত অত্যাচারের পর কপোতক্ষ বেঁচে থাকার মত আর কোনো সুযোগই নেই।

কপোতাক্ষ ভরাটের এসব মূল কারণ ছাড়াও আরোও কিছু কারণ রয়েছে, যেগুলো কপোতাক্ষ ভরাটকে ত্বরান্বিত করেছে; যেমন বেড়িবাঁড় দিয়ে মৎস্য চাষ, জলাশয় আবদ্ধ করে মৎস্য চাষ করা এবং নদীর পানি নদীতে রেখে নদীর বুকে পলি জমার অবস্থা সৃষ্টি করা। সংযোগ খালগুলোতে জাল পাটা, কোমর দিয়ে মৎস্য শিকার বা আহরণ। স্লুইস গেটের সামনে-পিছনে পলি জমে ভরাট হওয়া। সংযোগ ও নিষ্কাশন খালগুলোতে পলি জমে ভরাট হওয়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া। ভূমির অবনমন বা নিম্নগামিতা।

প্রয়োজনের তুলনায় অপরিকল্পিতভাবে অপ্রশস্ত কালভার্ট, পাইপগেট নির্মাণ। নদীর ওপর একের পর এক পিলার ব্রিজ নির্মাণ করে নদীর ¯্রােত কমিয়ে দ্রুত পলি জমতে সহায়তা করা। স্লুইসগেট ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালিত না হয়ে স্বার্থন্বেষীদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া। নদীতে জেগে ওঠা চর দখল করে তৈরি করে নদীকে সংকুচিত করা এবং পলি ব্যবস্থাপনা থেকে বিচ্ছিন্ন করা। নদীগুলোতে শ্যাওলা আগাছা জন্মে তাকে অবরুদ্ধ করে ¯্রােত চলতে না দেওয়া প্রভৃতি ।

আর কপোতাক্ষ ভরাট হওয়ায় ভোগ দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। প্রভাবশালীদের এখন পোয়াবারো। যার যত ক্ষমতা সে তত দখল করছে। ধানের চাষ হচ্ছে কোথাও কোথাও বেড়া দিয়ে চলছে মাছের চাষ। জমি দখল করে কপোতাক্ষেও বুকে পাকা ইমারত নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তÍ এর বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তবে কপোতাক্ষ বাঁচাও নামের সংগঠনটি মনে করছে কপোতাক্ষকে বাঁচানোর জন্য এখন শুধুমাত্র খনন কাজ করলেই চলবে না বরং প্রবাহ বৃদ্ধি করার জন্য পদ্মা নদীর সংযোগ স্থাপন প্রয়োজন আগে ছিল এই নদীকে বাঁচাতে হলে আবার সেই সংযোগ স্থাপন করা আশু প্রয়োজন বলে মনে করেন কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাস। তিনি বলেন, যদি পানি প্রবাহ বৃদ্ধি করা না যায় তবে খনন কাজ করলে তাতে স্থায়ীভাবে কোন সমাধান হবে না। বাংলাদেশের নদীর পানির অধিকাংশই প্রবাহিত হয় পদ্মা এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর মাধ্যমে। কপোতাক্ষ নদ রক্ষায় সকলের সমন্বয় মাস্টার প্লান তৈরি ও তার বাস্তবায়ন জরুরি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এ নদ এখনো বাঁচানো সম্ভব। প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিকল্পনা এবং তার সঠিক ও যুগোপযোগী বাস্তবায়ন।

কাপোতাক্ষ পাড়ের বাসিন্দা হাজরাখানা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব মৎস্যজীবী জগবন্ধু এবং সাধন হালদার বলেন, বাপ-দাদারও পেশা ছিল এই নদীতে মাছ ধরে সংসার চালানো। আমরা তাদের কাছ থেকে শিখে মাছ ধরে সংসার চালাতাম। কিন্তু নদীতে পানি না থাকায় আমাদের এখন পেশা বদলাতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক জানান, জানামতে ড্রেজিং করার জন্য টেন্ডার হয়েছে। অবৈধ দখলদার যত শক্তিশালি হোকনা কেন আইন অনুযায়ী অচিরেই উচ্ছেদ করা হবে।

চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান বলেন, এক সময় কপোতাক্ষ নদ এই এলাকার মানুষের মিষ্টি পানি সরবরাহ করত। এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় প্রাচীনকাল থেকে এই নদের অবদান অনস্বীকার্য। চৌগাছা-ঝিকরগাছা উপজেলার প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিদস্যুদের কবল থেকে কপোতাক্ষের খাসজমি দখলমুক্ত করার জন্য প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যশোর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোশলী তাওহীদুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে কপোতাক্ষ নদের উৎপত্তিস্থল চৌগাছার তাহেরপুর থেকে মনিরামপুর চাকলার ব্রিজ পর্যন্ত খননের জন্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। প্রকল্পটি টেন্ডার হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পরেই খনন কাজ শুরু হবে। এসময় নদের দুই ধারের সীমানা নির্ধারণ করা হবে।

এ ব্যাপারে যশোর জেলা প্রশাসক জানান, কপোতক্ষ নদ অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে দখল মুক্ত করতে যাচায় বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীন বলেন, কপোতাক্ষ নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খননের জন্য টেন্ডার প্রকিয়া চলছে। খননের পর উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। কেউ ব্যক্তিগতভাবে পাটা কিংবা কোমর বা বাধ দিয়ে মাছ ধরতে না পারে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যশোর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোশলী তাওহীদুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে কপোতাক্ষ নদের উৎপত্তিস্থল চৌগাছার তাহেরপুর থেকে মনিরামপুর চাকলার ব্রিজ পর্যন্ত খননের জন্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। প্রকল্পটি টেহুার হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পরেই খনন কাজ শুরু হবে।

মন্তব্য
Loading...