যশোরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবসে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা

১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশের সাথে একযোগে জাতীয় দিবস হিসেবে যশোরেও বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। এদিন যশোরে অনুষ্ঠিত হবে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা’। যশোরে জেলা প্রশাসন স্বাধীনতার মাস মার্চে ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু’ নামক একটি সংকলনের প্রকাশনা উৎসবসহ অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন জাতীয় দিবস।

যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিসভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ শিশু দিবস, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও পালন বিষয়ে এ প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। সঞ্চালনা করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যশোরের উপপরিচালক শওকত হুসাইন। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কামান্ডার রাজেক আহমেদ, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আফজাল হোসেন দোদুল, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খান দুলু প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা সংক্রান্ত একটি গেজেটও প্রকাশ হয়েছে। ফলে দিনটির এবার ‘ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস’ হিসেবে উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। প্রথমবারের মতন ঐতিহাসিক দিনটি জাতীয় দিবস হিসেব পালিত হবে। মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও আন্তঃমন্ত্রনালয়ের ‘গাইড লাইন’ অনুসরণ করে দিবসগুলো উদ্যাপনে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সভার সিধান্ত অনুযায়ী এবছর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের দিন সূর্যোদয়ের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। পাশাপাাশি শিশুদের অংশ গ্রহণে ৭ মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি ও ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। এছাড়া সকাল ১০টায় নিয়াজ পার্কে অনুষ্ঠিত হবে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা’।

এদিকে, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীমিত পরিসরে আলোচনা, রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন, কুইজ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি দিবসটিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। এছাড়া ১৭ মার্চের আগে বা পরে যেকোন দিন ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু’ নামক একটি সংকলনের প্রকাশনাও উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। সংকলনটিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন লেখা ও আঁকা রয়েছে।

এছাড়া ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত প্রতীকী ব্লাকআউট (নিষ্প্রদীপ) করা হবে। হবে আলোর মিছিল। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

এছাড়া ২৬ মার্চ স্বাধীন দিবসের দিন বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনাসভাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

মন্তব্য
Loading...