বাঘারপাড়ায় শিমুল হত্যা : তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর

২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোরের বাঘারপাড়ায় ফোনে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্র শিমুল বিশ্বাসকে (১৭) হত্যা মামলার তিন আসামিকে দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদশে দিয়েছেন। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন-বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের পাগল চন্দ্র গোলদারের ছেলে লক্ষীকান্ত গোলদার, মৃত জগবন্ধু বিশ্বাসের ছেলে কৃষ্ণপদ বিশ্বাস ও একই গ্রামের শক্তি গোলদারের জামাই কৃষ্ণ বিশ্বাস।
জানা যায়, রোববার সকালে রঘুনাথপুর মাঠের খালের মধ্যে থেকে ভাসমান অবস্থায় দোগাছি গ্রামের কলেজ পড়–য়া শিমুল বিশ্বাসের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে নিহতের মুকুল বিশ্বাস বাঘারপাড়ায় থানায় ৫জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আসামিরা হলেন বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের নিমাই গোলদারের ছেলে সৌমিত্র গোলদার (২০) ও অমিত গোলদার (২২), একই গ্রামের পাগলচন্দ্র গোলদারের ছেলে লক্ষ্মিকান্ত গোলদার (৪০), জগবন্ধু গোলদারের ছেলে কৃষ্ণপদ বিশ্বাস (৫০) ও নড়াইল সদরের করলা গ্রামের রাম বিশ্বাসের ছেলে ও যশোর সদরের দোগাছি গ্রামের শক্তি গোলদারের জামাই কৃষ্ণ বিশ্বাস (২৭)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে লক্ষ্মিকান্ত গোলদার, কৃষ্ণপদ বিশ্বাস ও কৃষ্ণ বিশ্বাসকে আটক ও ৭দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোমবার আদালতে সোপর্দ করেন। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, নিহত শিমুল বিশ্বাস ভাঙ্গুড়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আসামিদের সাথে জমি জায়গা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ছিল। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে বাদীর পরিবারকে বড় ধরণের ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছে আসামিরা। ১৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে রঘুরামপুর মন্দিরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে শিমুল বিশ্বাসকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় আসামি অমিত গোলদার। পরে আর ছেলে ফিরে আসেনি। সকালে কাটাখালের পানির মধ্যে শিমুল বিশ্বাসের লাশ পাওয়া যায়। এরপর বাদী তার ছেলের লাশ শনাক্ত করেন।

মন্তব্য
Loading...