স্কুলছাত্রী অহরণ মামলায় যুবকের ১৪ বছর সাজা

১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর সদরের ফতেপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলায় মারুফ হোসেন নামে এক যুবককে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক টিএম মুসা এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মারুফ বাঘারপাড়ার রাধানগর গ্রামের কুবাদ আলীর ছেলে। সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি সেতারা খাতুন।
জানা যায়, যশোর সদরের বাউলিয়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ীর মেয়ে চাঁদপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। স্কুলে যাওয়া আসার পথে মারুফ তাকে প্রায় উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার পরিবারকে জানায়। এতে মারুফ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ২০০৯ সালের ১৭ অক্টোবর বিকেলে বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছিল ওই ছাত্রী। পথিমধ্যে চাঁদপাড়ার নুর আলীর বাড়ির সামনে পৌঁছালে মারুফ তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খুঁজাখুজি করে তাকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তার পিতা ২০ অক্টোবর কোতয়ালি থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। পরে ছাত্রীর দেয়া জবানবন্দি ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় মারুফকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ মামলার দীর্ঘ স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি মারুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মারুফ কারাগারে আটক আছে।

মন্তব্য
Loading...