একমাসেও মুন্না হত্যাকা- ক্লুলেস!

২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

এক মাস পার হয়ে গেলেও যশোরে দুর্বৃত্তদের হামলায় মোটরসাইকেল চালক মনির হোসেন মুন্না হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। ৮আগস্ট যশোর-নড়াইল সড়কের হামকুড়া মোড়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক। এটি ক্লু-লেস মামলা। হত্যাকারীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
নিহত মনির হোসেন মুন্না যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর বিশ^াসপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলাম বিশ^াসের ছেলে। তার স্ত্রী রুমা খাতুন গত ১৭ আগস্ট কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই শামীম হোসেন জানান, হত্যাকান্ডের ক্লু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দুর্বৃত্ত কারা হতে পারে তা শনাক্তের জন্য পুলিশ নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবারের লোকজনও এই বিষয়ে কোন তথ্য উপাত্ত দিতে পারছে না। রাস্তার এপার ওপার দিয়ে কারা চিকন তার ঝুলিয়েছিল তা অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। ডিবির কাছেও মামলাটি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে।’
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রতিদিনের মত গত ৮ আগস্ট বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১২ টার দিকে একজন যাত্রী নিয়ে যশোর থেকে নড়াইলের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। পথিমধ্যে দাইতলা হামকুড়া ব্রিজের উপরে গেলে অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন দুর্বৃত্ত চিকন তার দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে তার স্বামীকে ফেলে দেয়। এরপর মারাত্মক আহত অবস্থায় দুর্বৃত্তরা পাশেই বায়েজিদের মাছের ঘেরে ফেলে রাখে। তার কাছে থাকা মোটরসাইকেল, টাকা ও মোবাইল ফোন সেট নিয়ে চলে যায়। এরপর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লাভলু মোল্লা নামে এক ব্যক্তি দেখে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে ১২আগস্ট তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরদিন ভোর ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে মারা যান তিনি। প্রথমে এই মামলাটি কোতয়ালি থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত কাউকে আটক বা শনাক্ত করতে পারেনি। পরে মামলাটি স্থানন্তর হয় ডিবি পুলিশ।

মন্তব্য
Loading...