নড়াইলে আলোচিত মাসুম হত্যাকাণ্ডে রহস্য উন্মোচন

৩৩

নড়াইল পৌর প্রতিনিধি

নড়াইলে ত্রিমুখি পরকীয়ার কারণে নিহত হন ট্রাক ড্রাইভার মাসুম ফকির। ২০১৬ সালে নড়াইলের ব্যাপক আলোচিত এ হত্যা মিশনে অংশ নেয়া দুই নারীসহ মোট চারজনের মধ্যে তিনজনই ‘অপরাধ তদন্ত বিভাগ’ সি আইডি’র হাতে ধরা পড়ে । তারা ১৬৪ ধারায় আদলতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। একজন আসামি পলাতক রয়েছেন। শাবানা খাতুন নামে সর্বশেষ এক নারী সিআইডি-র হাতে ধরা পড়েন শুক্রবার। নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোরশেদুল আলমের আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি।
সিআইডি-র নড়াইল ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার শুক্রবার সন্ধ্যায় তার কার্যালয়ে আয়েজিত প্রেসব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানাতে গিয়ে বলেন, আউড়িয়া ইউনিয়নের খলিষাখালী গ্রামের তৌহিদের স্ত্রী আশা বেগমের সঙ্গে দেবর আরাফাতের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে প্রতিবেশী ট্রাক চালক মাসুম ফকিরও আশার প্রতি দুর্বল হয়ে আশাকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। এতে মাসুমের প্রতি বিরক্ত হয়ে আশা ও আরাফাত তাদের দুই বন্ধুর সহায়তায় মাসুমকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন।

মন্তব্য
Loading...