সাতবাড়ীয়ায় অনুমোদনবিহীন পশুহাট : রাজস্ববঞ্চিত সরকার

0 ২৩৭

উৎপল দে, কেশবপুর

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুরের সাতবাড়ীয়ায় সরকারের অনুমোদন ছাড়াই পশুহাট বসেছে। জমজমাট এ পশুহাটে সরকার হারাছে রাজস্ব। জানা গেছে, পশুহাটটি বসে সপ্তাহে দু’দিন শনি ও মঙ্গলবার।
সাতবাড়ীয়ায় গড়ে তোলা অনুমোদনবিহীন পশুহাটটির কারণে সরকারের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারা নেওয়া কেশবপুরের পৌরসভার পশুহাট, সরসকাটি বাজারের (বরণডালী) পশুহাট ও চিংড়া বাজারের পশুহাটের মালিকরা পথে বসতে চলেছে।

২০১৮ সাল থেকে চলে আসছে কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের পশুহাট। দুই বছরেও বেশি সময় ধরে চলে আসা এ পশুহাট হাটের কারণে কেশবপুর পৌর পশুহাট ও সরসকাটি পশুহাট লোকসানে পড়েছে। কেশবপুর পশুহাট ও সরসকাঠি পশুহাট সরকারের রাজস্ব দেয়।
একদিকে মহামারি করোনার কারণে পশু আছে তো ক্রেতা নাই, তারপর কেশবপুর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে বসছে অনুমোদহীন পশুহাট। যেখানে খাজনার পরিমান কম থাকায় বেড়েছে পশুর ক্রেতা ও বিক্রেতা। পশুহাট কমিটি তাদের নিজস্ব তৈরিকৃত রশিদের মাধ্যমে হাটে উঠানো বিক্রীত গরু প্রতি ৩০০ টাকা ও ছাগল প্রতি ২০০ টাকা নিয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর পৌর পশু হাটের মালিক আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিদের জানান সাতবাড়িয়ার পশুহাটটি উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যান ২০১৮ সালে শুভ উদ্বোধন করেন। পশুহাটটি সরকারের অনুমোদিত না। এতে প্রকৃত হাট মালিকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার সরেজমিনে পশুহাট ঘুরে দেখা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে হাটটিতে শত শত পশু উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীর পাশাপাশি উৎসুক জনতারা এ পশুহাটে এসেছেন। করোনাকারে যেখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই।
পশুহাটের পরিচালনা কমিটির সদস্য অসীম বলেন, এই হাটটি নতুন তাই সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেয়া না। তিনি জানান, হাটের জন্য জমি ক্রয় ও রাস্তা তৈরি করেছেন তারা নিজেরা।

মন্তব্য
Loading...