কাল কেশবপুরের প্রত্যাশিত উপনির্বাচন

কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, জয়ের পথে নৌকার প্রার্থী

৮৮

উৎপল দে, কেশবপুর

রাত পোহালেই যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আজ থেকে বন্ধ প্রচারণা। ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন অফিস। কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের শতাধিক টিম দায়িত্ব পালন করবে। মোট ভোট কেন্দ্র ৭৯টি। ৩৭৪টি বুথে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সাংবাদিক হাবিবুর রহমান হাবিব লাঙল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন। কিন্তু করোনার কারণে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আর মাঠে নেই বিএনপি। তাই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর ভেতর। তবে শক্ত অবস্থানে আছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী। কারণ আসনটি নৌকা প্রতীকের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন বলেন, বিগত সময়ের মতো এবারো বিপুল ভোটে নৌকা বিজয়ী হবে। জণগণ উন্নয়নের প্রতীক নৌকার সাথে থাকবে।
কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে যশোর ৬ বা কেশবপুর সংসদীয় আসন। এখানে মোট ভোটার ২ লাখ ৩ হাজার ১১৮। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ১২২ জন ও মহিলা ১ লাখ ৮৯৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৭৯টি। ৩৭৪টি বুথে দায়িত্ব পালন করবেন ৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৭৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৭৪৮ জন পোলিং অফিসার। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো বজলুর রশীদ এ তথ্য দেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টি মনোনীত হাবিবুর রহমান বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি বিজয়ী হবেন।
যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনের প্রয়াত এমপি ইসমাত আরা সাদেক চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। ২৯ মার্চ এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত ২১ মার্চ উপনির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার গত ৪ জুুলাই স্থগিত নির্বাচন ১৪ জুলাই করা হবে ঘোষণা দেয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা ১১ জুলাই কেশবপুর আবু সারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে বলেন, সংসদীয় আসন ৯০ যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপনির্বাচন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি নির্বাচনের সাথে জড়িতদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জানান, ভোট কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করবে।

মন্তব্য
Loading...