সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় করোনাকালে উপনির্বাচন : কেশবপুরে সিইসি নুরুল হুদা

১২৭

উৎপল দে, কেশবপুর

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় করোনাকালেও উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোনো ব্যক্তি বা দলকে সুবিধা দিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন পেছানোর আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারেন। আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছিলাম। তিনিও বলেছেন, নির্বাচন না করার কোনো সুযোগ নেই।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে শনিবার কেশবপুরে আবু সারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভাকালে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ১৪ জুলাই এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাৎ হোসেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেব নাথ ও যুগ্মসচিব ফরহাদ আহমেদ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ডিআইজি ডক্টর মহিদ উদ্দিন, যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি কেএম নুরুল হুদা নির্বাচনের সাথে জড়িতদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সাংবিধানিক কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বের সাথে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, করোনা আছে, আরো অনেকদিন থাকবে। এরজন্য সবকিছু বন্ধ রাখা যাবে না। দৈনন্দিন কাজ ও নির্বাচনের মতো কাজ এর মধ্যেই করতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে প্রচারণা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের মাস্ক খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন সিইসি।
সভায় ৩ প্রার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ও জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফ উজ জামান খানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য
Loading...