বেজপাড়ায় চুরিতে তিনজন জড়িত

0 ৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর শহরের বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার বিল্লাল হোসেনের বাসায় চুরির ঘটনায় তিনজন জড়িত। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিকের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আসামি আল-আমিন। তার দাবি, ওই বাসায় চুরির ঘটনায় তার সাথে আরও দুজন জড়িত। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আল-আমিন বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার রইচ উদ্দিনের ছেলে।
আল-আমিন জানিয়েছে, বিল্লাল হোসেনের বাসায় চুরির সাথে তার সহযোগী মানিক ও বাপ্পী জড়িত। মূলত মানিক ও বাপ্পী চুরি করার জন্য তাকে ডেকে নিয়ে যায়। ঘটনার রাতে বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার একটি ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাটের (বিল্লাল হোসেনের ফ্ল্যাট) গ্রিল কেটে তারা ভেতরে ঢোকে। সেলাই রেঞ্জ দিয়ে মানিক গ্রিল কেটেছিল। এরপর তারা একটি ঘরের ভেতরে ঢুকে চাবি পেয়ে যায়। ওই চাবি দিয়ে আলমারি খুলে তারা সোনার চেইন, কানের দুল, বালা এবং নগদ ২২ হাজার টাকা বের করে নেয়। তার কাছে ছিল একটি গামছা। সেই গামছায় সোনার অলঙ্কার ও টাকা বেঁধে নেয়। তবে চুরির আগে তারা পাশের রুমের সিটকিনি লাগিয়ে দিয়েছিল। ওই রুমের ভেতর লোকজন ছিল। সিটকিনি লাগানোর কারণে পাশের রুমের লোকজন চুরির ঘটনা টের পাননি। চুরির পর বাইরে এসে বাপ্পী ও মানিক সোনার অলঙ্কার নিয়ে যায়। তারা একথা বলে যে, সোনার অলঙ্কার বিক্রির পর তাকে টাকা দিবে। তবে চুরি করা টাকার মধ্যে তাকে সেই সময় ১৫ হাজার দেয়া হয়েছিল। এরপর গত ১৮ জুন বিকেলে সে বেনাপোলে চলে যায়।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন গভীর রাতে আল-আমিন ও তার সহযোগীরা বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার নেছার মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের বাসায় হানা দেয়। এরপর তারা ওই বাসা থেকে ২৩ ভরি সোনার গহনা ও নগদ ৮২ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরে ওই ব্যবসায়ী কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।

মন্তব্য
Loading...