যশোরে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ করোনা শনাক্ত ৩৯

0 ১১১

রাজু আহমেদ

যশোর জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের শাশুড়ি, পুলিশ সদস্য, ফায়ার সার্ভিস কর্মী, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, গৃহিণী, শিশু, ছাত্র ও একই পরিবারের তিনজনসহ আরো ৩৯ জন কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এদিন কেউ সুস্থ হয়নি। যবিপ্রবি জিনোম সেন্টার ল্যাবে ১৯জনের নমুনা পরীক্ষা করে সোমবার এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৫৫জনে দাঁড়িয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬২জন। আর এই জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া ১০জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে জেলায় মোট ৩৮৩জন করোনা রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৩জন। বাকি ৩৫৩জন বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন।
যবিপ্রবি ল্যাবের পরীক্ষায় শনাক্ত নতুন করোনা রোগীর ৩৯জনের মধ্যে ২৭জন সদর উপজেলার বাসিন্দা, ৫জন শার্শা, ৫জন কেশবপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং দুজন চৌগাছা উপজেলার বাসিন্দা। শনাক্ত করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার বাসিন্দাসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের শ্বাশুড়ি, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের নার্স ও পরিচ্ছন্ন কর্মী, দুজন ব্যাংকার, ছাত্র ও গৃহিণী, চৌগাছা উপজেলায় একজন ব্যবসায়ী ও একজন চাকরিজীবী, কেশবপুরে একই পরিবারের তিন জন, একজন গৃহিণী ও একজন ছাত্র এবং শার্শা উপজেলার একজন করে শিক্ষক, গৃহিণী, ব্যবসাযী, চাকরিজীবী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার রেহেনেওয়াজ বলেন, জেলায় মোট ৫৫৫জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্ত ৫৫৫জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৮৩জন, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ৩৩জন, চৌগাছা ৩২জন, কেশবপুর ৪০জন, মণিরামপুর ১৮জন, শার্শা ৫২জন, ঝিকরগাছা ২৬জন, অভয়নগর উপজেলায় ১৫৭জন এবং বাঘারপাড়া উপজেলায় ১৪জন বাসিন্দা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত ৫১৬জনের মধ্যে ১৬২জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের মধ্যে সদর উপজেলার ২২জন, চৌগাছার ১৬জন, শার্শার ১৬জন, অভয়নগরের ৩৩জন, বাঘারপাড়ার ৩জন, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৩৩জন এবং কেশবপুর, ঝিকরগাছা ও মণিরামপুর উপজেলার ১৩জন করে বাসিন্দা সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে জেলায় মোট ৩৮৩জন করোনা রোগী রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৩জন। করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ২২জন টিবি হাসপাতালে, একজন চৌগাছা, ৩জন বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ৭জনকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বাকি ৩৫৩জন বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। জেলায় এপর্যন্ত মোট ১০জনের মৃত্যু হয়েছে।
জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৪জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ৮জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। একই সময়ে নতুন করে ৪৩জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। আর ২৯জনকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন।

মন্তব্য
Loading...