ক্রীড়াঙ্গেন করোনাভাইরাস : ফিটনেস ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ যশোরে খেলোয়াড়দের

0 ১৭১

ক্রীড়া প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যশোরে সব ধরনের খেলা ও প্রশিক্ষণ বন্ধ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষকরা বাড়িতেই বসে আছেন। সংকট কাটিয়ে উঠতে কতদিন লাগবে, সেটি কেউ নিশ্চিত নয়। এই অনিশ্চিয়তার মধ্যে খেলোয়াড়দের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ফিটনেস ধরে রাখা।
খেলোয়াড়দের শরীর ফিট রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন কোচরা। সেই মোতাবেক ফিটনেস ধরে রাখার জন্য যশোরের খেলোয়াড়রা ঘরে বসেই হালকা শারীরিক ব্যায়াম করে দিন কাটাচ্ছেন।
জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে পুরোবিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যার থেকে বাদ পড়েনি ক্রীড়াঙ্গনও। যশোরে চলমান খুলনা বিভাগীয় কাবাডি প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে। যশোর ক্রীড়া সংস্থা ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জেলাভিত্তিক সব ধরনের লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা শহরসহ উপজেলাগুলোতেও একাডেমি ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও বাইরে ঘোরাফেরা না করে খেলোয়াড়দের ঘরে অবস্থান করতে অনুরোধ করেছে জেলার ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। খেলোয়াড়, কোচ ও কলাকুশলীরা খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাচ্ছেন না। করোনা প্রতিরোধে ক্রীড়া সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মাক্স, লিকুইড, সাবানসহ বিভিন্ন উপকরণ ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ঘরে বসে থাকায় অনেক খেলোয়াড় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারপরও জীবনের নিরাপত্তার কথা সবাই ঘরে বসে আছেন।
যশোর শামস্-উল-হুদা ফুটবল একাডেমির প্রধান কোচ কাজী মারুফ হোসেন বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বর্তমানে অনুশীলন বন্ধ রয়েছে। অনুশীলন বন্ধ করার সময় খেলোয়াড়দের ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সাথে ফিটনেস ধরে রাখার জন্য ঘরে বসে করা যায় এমন কিছু শারীরিক ব্যায়াম করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের জেলা কোচ আজিমুল হক বলেন, বর্তমানে খেলা অনুশীলন সব বন্ধ রয়েছে। তবে এই সংকটময় পরিস্থিতি একদিন কেটে যাবে। তারপরে শুরু হবে খেলা। তাই এই সময়টায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখতে হবে। আর এই ফিটনেস ধরে রাখায় খেলোয়াড়দের বড় চ্যালেঞ্জ হবে। আমরা খেলোয়াড়দের কিছু হোমওয়ার্ক দিয়েছি শরীর ফিট রাখার জন্য।
অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষকর মেহেদি হাসান বলেন, বাসার বাইরে তেমন একটা যাচ্ছি না। তবে ঘরে বসে কিছু জিম করছি।
খুলনা বিভাগীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার মঈনুল ইসলাম সোহেল বলেন, ব্যায়ামাগার বন্ধ রয়েছে। তাই যার যতটুকু সুযোগ আছে ঘরে বসে শরীর ফিট রাখার চেষ্টা করছে। এছাড়া যাদের বাড়ির আশেপাশে ফাঁকা জায়গা আছে তারা একা একা রানিং করছে। সেই তিনি এই সংকটময় পরিস্থিতিতে সকলকে বাড়িতে থাকার কথা বলেন।

মন্তব্য
Loading...