কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে উন্মুখ বেনাপোলবাসী

১৮৯

বেনাপোল প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বেনাপোল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে বেনাপোল বাসী উন্মুখ হয়ে আছে। দেশের দক্ষিন-পশ্চিম সীমান্ত শহর বেনাপোল। স্বাধীনতার ৪৮ বছরে এখানে নির্মিত হয়নি কোন কোন উন্মুক্ত স্থানে শহীদ মিনার।
বেনাপোল হাইস্কুলে একটি শহীদ মিনার থাকলেও এখানে সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে আসা মানুষ পড়ত নানা সমস্যায়। এছাড়া বাজার এলাকায় বলে যানজট লেগে থাকে।
এই কথা ভেবে বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন এর উদ্যেগে অবহেলিত এই জনপদে বেনাপোল বলফিল্ডে নির্মিত হয়েছে এই বঙ্গের সবথেকে বড় এবং আধুনিক মানের কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার। রাত ১২ টা ১ মিনিটে বেনাপোল পৌরসভার পক্ষ থেকে এই শহীদ বেদীতে প্রথম ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। তবে শুক্রবার সকাল ৮ টার সময় সকল সংগঠনের মাধ্যমে এই শহীদ বেদীতে পুস্পর্ঘ দিয়ে শহীদ মিনারটির শুভ উদ্ভোধন করা হবে।
সরোজমিনে বেনাপোল বলফিল্ডে যেয়ে দেখা যায় আগামীকালের একুশ উদযাপন উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি শেষ এর পথে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে এখানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে।

নির্মান কাজ শেষ হওয়ায় আধুনিক মানের এই শহীদ মিনারে এবছর প্রথম ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, শ্রেনী পেশার মনুষ সহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠন। ঐতিহ্যবাহী বেনাপোল বলফিল্ড মাঠের পুর্ব পাশে নির্মিত হয়েছে দেশের বড় এবং আধুনিক মানের শহীদ মিনার। দুই দিন যাবৎ একুশ উদযাপন উপলক্ষে ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পৌর কর্তৃপক্ষ লাইটিং ব্যবস্থা, রঙ, ও শহীদ মিনারের সামনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ তৈরীর জন্য ব্যাস্ত সময় পার করছে।
এই প্রথম বারের মত বেনাপোল কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার ঘিরে সারাদিন ব্যাপি চলবে , ভাষা সৈনিকদের জীবনী নিয়ে আলোচনা কবিতা ও ছড়া আবৃত্তি, এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এখানে উপস্থিত থাকবে দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব ও গুনীজন এবং দেশের শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
সন্ধ্যায় শুরু হবে ঢাকা থেকে আগত শিল্পিদের নিয়ে ও স্থানীয় শিল্পীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মন্তব্য
Loading...