যশোরে ফল ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন : সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

৮৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভালোবেসে রহিমা বেগমকে (৪০) বিয়ে করেছিলেন নজরুল ইসলাম। কিছুদিন পর স্ত্রী মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ডিভোর্স হয়ে যায় তাদের। স্ত্রী থাকাকালীন জমি কেনার কথা বলে বিভিন্ন সময় নজরুলের কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রহিমা বেগম।
মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেছেন যশোরের কেশবপুর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা ও শহরের জেনারেল হাসপাতাল মোড়ের ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম। অভিযুক্ত রহিমা বেগম চৌগাছা উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের আতর আলী মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলাম বলেন, রহিমা বেগম মানুষের সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে আসছে। মানুষকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে তাদের নিকট থেকে ফায়দা লোটা তার কাজ। এভাবে রহিমা চারজনের জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে। রহিমা চৌগাছা চাঁনপুর এলাকায় মাদক ব্যবসা করে। আমি রহিমার ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে বিয়ে করি। বিয়ের পরে জানতে পারি সে মাদক ব্যবসা করে। আমি তাকে বিভিন্ন সময় বাঁধা-নিষেধ করা সত্ত্বেও সে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার বাসা থেকে বিভিন্ন মালামাল ও টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়। তারপরে আমাকে তালাক প্রদান করে। জমি কেনার কথা বলে রহিমা বিভিন্ন সময় আমার কাছে থেকে মোট ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব টাকা ২৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে স্বাক্ষরপূর্বক টাকা দেয়া হয়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করেছি। পুলিশ সুপার বরাবর আইগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করি।
তিনি আরও বলেন, আমি জমি ও পাওনা টাকার কথা বলতে গেলে রহিমা, রফিকুল, জনি, ফেলিসহ আরো ৫-৬ জন আমাকে আটক করে টাকা প্রদানের প্রমাণপত্র ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দেয় এবং হত্যার হুমকি দেয়। অবশেষে আমার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আমাকে বাঁচায়। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অনেক রাত পর্যন্ত বাইরে থাকতে হয় কারণ আমি ফলের ব্যবসা করি। ইতঃপূর্বে রহিমা বেগম বিভিন্নভাবে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। আমি জীবনের নিরাপত্তা চাই।

মন্তব্য
Loading...